ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬:
টেকনাফে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পৃথক দুই অভিযানে ৭২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং দুই মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মায়ানমারের ১১ হাজার কিয়াত, দুটি মোবাইল ফোন এবং মাদক পাচারে ব্যবহৃত অন্যান্য আলামতও জব্দ করা হয়।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষা এবং সমুদ্রে রাসায়নিক দূষণ প্রতিরোধের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ দমনে তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট এই দুটি অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর ৩টার দিকে নৌবাহিনীর একটি আভিযানিক দল টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নূর মোহাম্মদ ও হামিদ হোসেন নামের দুইজনকে ধাওয়া করে আটক করা হয়।
পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচে অভিনব কৌশলে পুঁতে রাখা একটি বক্স থেকে ৪২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
এদিকে একই ইউনিয়নের শাহ্ পরীর দ্বীপ এলাকায় আরেকটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোঙর করা একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোটের বিভিন্ন গোপন কম্পার্টমেন্টে লুকিয়ে রাখা ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোন এবং ১১ হাজার মায়ানমার কিয়াত উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে জব্দ করা মাদক ও অন্যান্য আলামতসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের উপকূলীয় ও সমুদ্র এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফেসবুক ক্যাপশন:
টেকনাফে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পৃথক দুই অভিযানে ৭২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং ২ মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে। সাবরাংয়ের নয়াপাড়া ও শাহ্ পরীর দ্বীপ এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১১ হাজার কিয়াত ও মোবাইল ফোনও।